শরীরের জন্য পুষ্টি যতখানি গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক ততটাই জরুরি ঘুম। ‘ঘুম’ বিষয়টিকে যে তলিয়ে দেখা জরুরি, তা বুঝতে শুরু করেছেন অনেকেই। ঘুম নিয়ে কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীরা কাজ করে চলেছেন। আর তার ফলে, সকলেই ধীরে ধীরে বুঝতে পারছেন, ঘুম কেন জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক স্মৃতি তৈরি করে এবং তা রক্ষা করে। পর্যাপ্ত এবং গভীর ঘুম মস্তিষ্কের বার্ধক্য ঠেকাতে সক্ষম, এমনই তথ্য উঠে এসেছে একাধিক গবেষণায়। হার্টের সমস্যার নেপথ্যে যে ঘুমের অভাব থাকতে পারে, সেই প্রমাণও মিলেছে ভূরি ভূরি। তাই ঘুম মোটেই হেলাফেলার বিষয় নয়। ঘুম মানে শুধুই দুই চোখের পাতা এক হওয়াও নয়।
রাতে ঘুম কতটা গাঢ় হচ্ছে, আদৌ ঘুমের অভাব মিটছে কি না, তা জানান দেয় শরীর। সেই ইঙ্গিত বোঝাও জরুরি।
সকালেও ঘুম ঘুম ভাব: সকালে ঘুম থেকে উঠেও যদি ঘুম ঘুম ভাব থাকে তাহলে বুঝতে হবে ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না। ঘুমেরও নানা স্তর থাকে। তারই মধ্যে একটি হল র্যাপিড আই মুভমেন্ট। এই পর্যায়ে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে, লোকে স্বপ্নও দেখেন। এই পর্যায়ে ঘুম গভীর হয় না। ফলে সকালে ক্লান্ত লাগতে পারে।
নাক ডাকা: কেউ নাক ডাকছেন মানেই তিনি অকাতরে ঘুমোচ্ছেন, তা কিন্তু নয়। অক্সিজেন নাকের মাধ্যমে ফুসফুসে বা শরীরে যেতে বাধাপ্রাপ্ত হলে, এমন শব্দ হয়। ফলে যাঁরা নাক ডাকেন তাঁদের ঘুমও সব সময়ে গভীর হয় না।
মনোযোগে অসুবিধা: দিনভর কাজে মন দিতে অসুবিধা, ক্লান্তিভাবও ঘুমের অভাবের ইঙ্গিতবাহী। কারণ, ঘুম ঠিক না হলে, স্মৃতির পাতা থেকে কিছু কিছু অংশ সাময়িক ভাবে মুছে যেতে পারে। ভাবনাচিন্তার ক্ষেত্রেও ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে।
খিটখিটে মেজাজ: তেমন কোনও কারণ নেই, কিন্তু মেজাজ হঠাৎ করেই বিগড়ে যাচ্ছে। অহেতুক চিৎকার, চেঁচামেচি করছেন। নেপথ্যে মানসিক চাপ, ক্লান্তি থাকতেই পারে, হতে পারে ঘুমের অভাবও।
ঘন ঘন প্রস্রাব: রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া স্পষ্টতই ইঙ্গিত দেয় ঘুম ঠিকঠাক না হওয়ার। ভাল ঘুম হলে, রাতে ওঠার কোনও প্রশ্নই আসে না।
রাতে ঘুম কতটা গাঢ় হচ্ছে, আদৌ ঘুমের অভাব মিটছে কি না, তা জানান দেয় শরীর। সেই ইঙ্গিত বোঝাও জরুরি।
সকালেও ঘুম ঘুম ভাব: সকালে ঘুম থেকে উঠেও যদি ঘুম ঘুম ভাব থাকে তাহলে বুঝতে হবে ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না। ঘুমেরও নানা স্তর থাকে। তারই মধ্যে একটি হল র্যাপিড আই মুভমেন্ট। এই পর্যায়ে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে, লোকে স্বপ্নও দেখেন। এই পর্যায়ে ঘুম গভীর হয় না। ফলে সকালে ক্লান্ত লাগতে পারে।
নাক ডাকা: কেউ নাক ডাকছেন মানেই তিনি অকাতরে ঘুমোচ্ছেন, তা কিন্তু নয়। অক্সিজেন নাকের মাধ্যমে ফুসফুসে বা শরীরে যেতে বাধাপ্রাপ্ত হলে, এমন শব্দ হয়। ফলে যাঁরা নাক ডাকেন তাঁদের ঘুমও সব সময়ে গভীর হয় না।
মনোযোগে অসুবিধা: দিনভর কাজে মন দিতে অসুবিধা, ক্লান্তিভাবও ঘুমের অভাবের ইঙ্গিতবাহী। কারণ, ঘুম ঠিক না হলে, স্মৃতির পাতা থেকে কিছু কিছু অংশ সাময়িক ভাবে মুছে যেতে পারে। ভাবনাচিন্তার ক্ষেত্রেও ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে।
খিটখিটে মেজাজ: তেমন কোনও কারণ নেই, কিন্তু মেজাজ হঠাৎ করেই বিগড়ে যাচ্ছে। অহেতুক চিৎকার, চেঁচামেচি করছেন। নেপথ্যে মানসিক চাপ, ক্লান্তি থাকতেই পারে, হতে পারে ঘুমের অভাবও।
ঘন ঘন প্রস্রাব: রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া স্পষ্টতই ইঙ্গিত দেয় ঘুম ঠিকঠাক না হওয়ার। ভাল ঘুম হলে, রাতে ওঠার কোনও প্রশ্নই আসে না।
ফারহানা জেরিন